ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের মংলায় ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মোঃ শাহীন এর নামে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে সরেজমিনে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে ট্রাফিক সেক্টরে চাকরিরত মোঃ শাহীন ( ট্রাফিক ইন্সপেক্টর) এক সৌজন্য সাক্ষাতে বলেন, ” বহু মানুষকে চাকরি দিয়েছি, সে সুনাম আমার আছে । পার্শ্ববর্তী এক চায়ের দোকানে নিয়ে চা বিক্রেতার সাথে কথা বলে প্রমাণ করলেন মোঃ শাহীন চাকরি দেন। টাকা নিয়ে চাকরি দেননি এমন কোন নজির আছে কি না জানতে চাইলে বলেন, না এমন কোন নজির নেই।যার টাকা নিয়েছি তাকে চাকরি দিয়েছি ” । বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের অমল রায়ের কথা বললে বলেন,” তার নিকট থেকে টাকা নিয়েছে পল্লব মন্ডল ।আমাকে খুশি হয়ে মাত্র এক হাজার টাকা দিয়েছে ” । অমল মন্ডলের অভিযোগ চাকরি দেওয়ার নামে চার লাখ দশ হাজার টাকা নিয়েছে মোঃ শাহীন,মোট চুক্তি ছিল সাত লাখ টাকা। ২০১৯ সালে টাকা দিয়েছি, চাকরি আজ দিব কাল দিব বলে ঘুরাচ্ছে। বাধ্য হয়ে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উদয় শঙ্কর ও বিএনপি নেত্রীবৃন্দের কাছে বিষয়টা জানিয়েছি। রাজ্জাক,হাবি,পুষ্পেন ও পঙ্কজ সবাই জানে। পল্লব মন্ডল বলেন,” ঘটনাটি সত্য, আমি তার প্রত্যক্ষদর্শী। আমার সামনে অমলের নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে অর্থের লেনদেন করেছে মোঃ শাহীন ” । দাকোপ উপজেলার ওড়াবুনিয়া গ্রামের নীলকমল পিতা বলাই বলেন, ” আমাকে চাকরি দেওয়ার নাম করে স্ত্রী মিঠু সরকার ( ঠান্ডা) মংলা ২৫০ বেড এ আয়া পদে চাকরি করে ও স্বামী মোঃ শাহীন ৩৫০০০০/-(তিন লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা ) নিয়েছে। পরে চাকরি না দিয়ে ঘুরাচ্ছে। বলে আজ দিব কাল দিব। আমি খুবই গরীব চাকরি পাবো বলে ধার দেনা করে টাকা দিয়ে অসহায় ভাবে জীবন যাপন করছি। এমন অনেক প্রমাণ আছে মোঃ শাহীন এর নামে। সচেতন মহল বলেন, এহেন পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও ট্রাফিক প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা উচিত। এভাবে চলতে থাকলে গরীব মানুষ চাকরির লোভে টাকা নষ্ট করে অসহায় হবে, অন্য দিকে বন্দর কর্তৃপক্ষের কলঙ্ক রটবে যা এই সম্মানিত দুই পদের সুনাম নষ্ট হবে” ।
Leave a Reply