সরকার দেশে একটি ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে দাবি করে আমীর খসরু বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে বিএনপির শত শত নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে। কিছুদিন আগে আমাদের ১৩ জন নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা-নির্যাতনের পরেও মানুষ আরও বেশি রাস্তায় নেমে এসেছে। সরকার দেশে একটি ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু মানুষ ভয়কে জয় করে ফেলেছে। এই দখলদার, ফ্যাসিস্ট, অবৈধ ও অনির্বাচিত সরকারের বিদায়ের জন্য দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
গণজোয়ারের মাধ্যমে সরকারের বিদায় হবে দাবি করে সমাবেশে আমীর খসরু আরও বলেন, সারা দেশে আজ গণজোয়ার উঠেছে। এ গণজোয়ারে এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় নিতে হবে। তারা মেসেজ পেয়েছে, দখলদার, ফ্যাসিস্ট, অবৈধ, অনির্বাচিত ও নির্যাতনকারী সরকারকে বিদায় নিতে হবে। এখন দেশের মানুষের একটাই দাবি, এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিতাড়িত করা। মানুষ তার রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরে পেতে চায়। তারা ভোটাধিকার, আইনের শাসন, বাক্স্বাধীনতা, জীবনের নিরাপত্তা এবং ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পেতে চায়। এ জন্য মানুষ এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। জীবন দিয়ে হলেও এবার তারা গণতন্ত্র রক্ষা করবে।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দীন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আতন কুদ্দুসুর রহমান, মাহাবুবুল হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, এবায়দুল হক, আবু নাসের রহমত উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আমিন, মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হায়দার প্রমুখ।
বিএনপির গণমিছিল ও সমাবেশের আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। এর আগে কর্মসূচি উপলক্ষে সকাল থেকে বরিশাল মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও উপজেলা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। বেলা ১১টার পর থেকে শহরের ব্যস্ততম সদর রোড মিছিলে মিছিলে পূর্ণ হয়ে যায়। এতে সদর রোডে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।








Leave a Reply