ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ খুলনার দাকোপ উপজেলা তরমুজ চাষে বিখ্যাত।এ অঞ্চলের তরমুজ স্বাদে অতুলনীয়। এখানকার মাটি ও জলবায়ু তরমুজ চাষকে কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে সহযোগিতা করেছে। তাই বেশিরভাগ তরমুজ চাষী বিঘা প্রতি লক্ষ টাকায় ফসল বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।আর কিছু চাষী লাভবান হচ্ছে না। সময়মতো পরিচর্যার অভাবে, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারনে, সার ব্যবসায়ীদের অসাধুতার কারনে, ভালো মানের বীজ না পাওয়ার কারণে,পর্যাপ্ত পানির অভাবে।এই সকল প্রতিকূল অবস্থার উন্নয়ন ঘটলে দাকোপের কৃষককূল তরমুজ চাষ করে শতভাগ লাভবান হবে বলে সচেতন মহলের ভাষ্য।এক সৌজন্য সাক্ষাতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন,” আমার সকল উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগন কৃষকদের নিয়ে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নে সকল রকম পরামর্শ দান করে চলেছে। ভালো মানের বীজ সংগ্রহে ডিলারদের নিকট থেকে বীজ সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন এবং প্রতি বীজ ক্রয়ে মেমো নিতে হবে তাহলে নিম্নমানের বীজ সরবরাহ করতে পারবে না। কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, কীটনাশক এ নিয়ন্ত্রণ আনছি। যদি কোন কৃষক ডিলারদের অনিয়ম তুলে ধরেন
সংগে সংগে ব্যবস্থা নিবো” ।উৎসব সীড কোম্পানির এম,ডি জীবন সরকার বলেন,” আমি দাকোপের ছেলে। কৃষকদের ভালো বীজ সংগ্রহে আমার প্রতিষ্ঠান দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।কৃষক যেন উন্নত মানের বীজ পেয়ে লাভবান হতে পারে এটাই আমার লক্ষ্য। দাকোপের কৃষককূল বীজ সংগ্রহে প্রতারিত হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে দাকোপের মাটি ও পানি ল্যাব টেষ্ট করে উপযোগী বীজ ১ । আস্থা হায়দ্রাবাদ ২ । বিগ টু বিগ জাপান ৩ । বিগ তেলেঙ্গানা কৃষকদের মাঝে উপহার দিয়েছি। কোন কৃষকই অন্তত বীজে ঠকবে না এটাই আমার দৃঢ বিশ্বাস ও অঙ্গিকার। বেশিরভাগ কৃষক বলেন, “বর্তমান আমাদের কৃষি কর্মকর্তা বীজ,সার ও অসাধু ব্যবসায়ীদের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে গ্রামে এসে উঠান বৈঠক করে সচেতন করছেন। আমরা স্যারদের পরামর্শ পেয়ে কৃষিতে উন্নতির আশা লক্ষ্য করছি। এভাবেই কৃষকদের পাশে থেকে পরামর্শ ও সাহস যোগালে আমরাই কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবো” ।দাকোপবাসি এমন কৃষি কর্মকর্তাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
Leave a Reply