শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে দেখা যায়, প্রতিনিয়ত দাম বাড়ার খবরে কিছুটা ভাটা পড়েছে। কোনো পণ্যের দাম না বাড়লে বেশিরভাগ পণ্যই আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।
সরু চাল আগের দামে বিক্রি হলেও প্রতি কেজি মোটা চাল ২ থেকে ৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি মোটা চালের দাম পড়ছে ৪২ থেকে ৪৮ টাকা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবুও মিলার ও কোম্পানিগুলো সংকট দেখিয়ে চাল আটকে রেখে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে।
তারা বলেন, বেশি টাকা দিলেই চাল পাওয়া যায়। আর সরু চালগুলো বছরে একবার উৎপাদন হওয়ায় এর দাম নিয়ে বেশি কারসাজি করা যায়। তবে দাম কমলেও বাজারে ক্রেতা কম বলেও জানান তারা।
পাইকারি পর্যায়ে খোলা আটা ও ময়দার দাম কেজিতে ৫ টাকা কমেছে। প্রতি কেজি আটা ৫৫ টাকা এবং ময়দায় ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মসুর ডালের দামও ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে। দেশি মসুর ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা, আমদানি করা মসুর ৯২ থেকে ৯৫ টাকা এবং মুগ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে গত কয়েকদিন ধরে সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দামও নিম্নমুখী। ব্যবসায়িরা জানান, প্রতি লিটার সয়াবিন দাম তেলের দাম পড়ছে ১৬৮ টাকা ও পাম ১১২ টাকা। আর কেজিতে সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা ও পাম তেল ১২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ বাজারে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামও নিম্নমুখী রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে কৃষি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ছুটির দিন না হলেও বিএনপির সমাবেশ কেন্দ্র করে আতঙ্কে পরিবহন সংখ্যা কম থাকায় বাজারের বেচাকেনা অনেকটা স্থবির
Leave a Reply