ঐতিহাসিক মেলবোর্নে শুরুটায় ছিল ঝরের পূর্বাভাস। তবে ঝর একটা এসেছিল। সেটা প্রকৃতির নয়, মেলবোর্নের ঐতিহাসিক ব্যান্ড আইস হাউসের। গত ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই আসরের ফাইনালের আগে বেজে ওঠে বিদায়ের করুণ সুর। তবে বিদায়টা এতটা শ্রুতি মধুর হবে সেটা হয়ত ভাবেনি খেলা দেখতে আসা সমর্থকরাও।
দেশটির ৪০ বছরের পুরনো এই ব্যান্ড দলের সদস্যরা তাদের মনোমুগ্ধকর সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে রাখেন মেলবোর্ন। আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল ফাইনালের সব টিকিট। ইংল্যান্ড পাকিস্তানের হাইবোল্টেজ ম্যাচে আরাদা রং আনে সমাপনীর এই ছোট্ট আয়োজন।
দেশটির জনপ্রিয় ব্যান্ডদল আইস আউস শুরুতেই পরিবেশন করেন গ্রেট সাউদার্ন ল্যান্ড। মিচ টেম্বো ও উইলিয়াম বার্টন হৃদয় ছোঁয়া গানে ঘোরের রাজ্যে হারিয়ে যান দর্শকরা। এরপরেই মঞ্চ মাতান জিম্বাবুয়েতে জন্ম নেয়া অস্ট্রেলিয়ান শিল্পি সিকওয়েলা। আইস হাউস যখন সামার রেইন গানটি পরিবেশন করছিল, তখন অনেকেরই চোখে ভেসে ওঠে এবারের বিশ্বকাপে বৃষ্টির নানা রঙের স্মৃতি।
বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় ভারত। ফেবারিট হিসেবে অংশ নিয়েও ফাইনালে ওঠার বেদনায় নীল হয়েছে রোহিতরা। তবে ফাইনালে না থেকেও ছিল ভারতের নাম। রক গ্রুপ আইস হাউসের সঙ্গে পারফর্ম করেছেন ভারতীয় বংশদ্ভুত অস্ট্রেলিয়ান ১৩ বছর বয়সী শিল্পি জানাকি ইয়াসওয়ার। উই ক্যান গেট টুগেদার গানের সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলেন জানাকি।
গানের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয় অস্ট্রেলিয়ার নানা ঐতিহ্য। আয়োজনের ফাঁকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নানা ঐতিহ্যও তুলে ধরা হয়। ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি শিবনারায়ন চন্দরপল ট্রফি নিয়ে মাঠে ঢুকলে শেষ হয় সংক্ষিপ্ত আয়োজন। ছোট পরিসরের আয়োজন হলেও আইস হাউস মাতিয়ে রেখেছিল পুরো আয়োজন।
Leave a Reply