বিশেষ প্রতিনিধি: একজন সফল চেয়ারম্যান বোরহানউদ্দিন ৪নং কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ জনতার জনপ্রতিনিধি এবং বতর্মান জনপ্রিয় চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব আ: রব কাজী। তার সফলতার মূল কারন জনগনকে ভালোবাসা এবং বড়দের শ্রদ্ধা সহপাঠিদের বুকে আগলে নেওয়া। একজন মানুষের বড় সার্থকতা,জিবনের পরম পাওয়া এবং সফলতা হলো,একটি অঞ্চলের আর্থ সামাজিক কাঠামো ও রাজনৈতিক দর্শনে মানুষের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনা। একই সঙ্গে উন্নয়নে, সমৃদ্ধিতে পরিবর্তনের সেই ধারা ধরে রাখা। বলিষ্ঠ নেতৃত্বই সেই সফলতার মূল চাবিকাঠি। আর সেই সফল মানুষটি হলেন,কাচিয়া ইউনিয়ন এর মাটি ও মানুষের নেতা গরিবের বন্ধু,অসহায় আর পথহারা মানুষের পথপ্রর্দশক ভোলা বোরহানউদ্দিন উপজেলা ৪নং কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আ: রব কাজী। আলহাজ্ব্ আ:রব কাজী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান।
জাতীয় নেতা সাবেক ডাকসু ভিপি,সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রী পরিষদের বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এর মাধ্যমে তিনি গড়ে উঠেন আর্দশ রাজনৈতিক ব্যাক্তি হিসাবে। আলহাজ্ব আ:রব কাজীর ছোট বেলা থেকেই ছিলো ব্যবসা করে সফল হওয়ার চেতনা। সেই ব্যবসা জীবন থেকেই জননেতা তোফায়েল আহমেদ এর মাধ্যমে রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। আওমীলীগের প্রতিটি কার্যক্রমে ছিলেন সবার সামনে,পদ নিয়ে কখনো ও মাথা ব্যাথা ছিল না।সবসময় ভাবতেন পদের চেয়ে দল বড়।তিনি সবসময় বাস্তবকে বিশ্বাস করতেন এজন্য আমজনতা গরিব-বৃদ্ধ সবাই তাকে ভালোবেসেন। বর্তমানে তিনি ভোলা ২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব আলী আজম মুকুলের নির্দেশনায় সকল কাজ পরিচালনা করে আসছেন ।
জানা যায় বর্তমানে মরনব্যাধি করোনা ভাইরাসে যেখানে মা,বাবা থেকে সন্তান পৃথক হয়ে যায় সেখানে এই চেয়ারম্যান জনগনের সেবক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন,গরিব আর অসহায় পরিবারকে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া ও জনগনের আস্থা আর ভালোবাসার প্রতীক হিসাবে সবাই দেখছে তাকে।করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া হাজার হাজার হতদরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও পৌছে দিয়েছেন এই চেয়ারম্যান।তিনি ছোট-বড় সবার সাথে চলছে সাধারণ ভাবে।যেখানেই অসহায় মানুষ সেখানেই ছুটে যান তিনি, দেখেন না কে কোন দলের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন সাথে সাথে।সবাই দলমত নির্বিশেষে ভালোবেসে যাচ্ছেন তাকে। ধর্মীয় শিক্ষা্প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব ও অপরসীম কাচিয়া ইউনিয়নে প্রায় ১২৭ টি মসজিদ আছে এমন কোনো মসজিদ নাই, যেই মসজিদে তিনি আর্থীক সহযোগীতা করনে নাই। এবং কাচিয়া ইউনিয়নে প্রতিটি মসজিদ,মাদ্রাসা,মন্দির এ আর্থীক সহযোগীতা করে আসছেন। কাচিয়া ইউনিয়নে একজন দানবীর নামে পরিচিত তিনি। বিশেষ করে নিত্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুখর রাজনীতির মাঠে। যেখানে পক্ষ-প্রতিপক্ষ দুইপক্ষেরই আতশ কাচের নিচে থাকতে হয় সৎ সাহসী
রাজনীতিবিদকে। এখানেই একজন আলহাজ্ব আ: রব কাজী ।
তিনি রাজনীতিতে এসেছেন গণমানুষের পাশে থাকতে,তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে।কাচিয়া ইউনিয়ন এর গ্রামগঞ্জে ঘুরে এলে বোঝা যায়। আপনি আমি ঘুরে আসার আগেই তিনি তৃণমূলে ঘুরে ঘুরে জনপ্রিয়তা ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। এ যুগে একজন চেয়ারম্যান হয়ে কোনো প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নিয়ে একা মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে যান। ইউনিয়ন এর পথে পথে খোঁজ খবর নেন সাধারণ মানুষের,তৃণমূলের নেতাকর্মীদের তিনি সময় নিয়ে,উদ্দেশ্য নিয়ে,লক্ষ্য ঠিক করে পরিকল্পনা করে রাজনীতি করতে এসেছেন। তিনি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। অর্থ বিত্তে পূর্ব থেকেই সমৃদ্ধ। বেছে নিতে পারতেন আরাম-আয়েশ, ভোগ-বিলাসের জীবন। কিন্তু তোফায়েল আহমেদের মতো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করা শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে তার পদচারণা শুরু হয়। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পর্কের সেতুবন্ধন স্থাপন করেন তিনি। তিনি সবসময়েই নির্যাতনের শিকার বঞ্চিত নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তাদের উৎসাহ দিয়েছেন রাজনৈতিক একটি পরিবর্তনের জন্য। সেই পরিবর্তন এলো তিনি যখন চেয়ারম্যান হয়ে আসেন তখনই এবং সেই পরিবর্তনের অংশীদার হলেন তিনি। দল তার নেতৃত্বের দক্ষতা ও কাজের মূল্যায়নে তিনি একজন সফল চেয়ারম্যান। পরিশেষে ৪নং কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আ: রব কাজী দৈনিক ক্রাইম তালাশ ২৪ সংবাদকে বলেন আমি জনগনের সুখে-দুখে সবসময়ই পাশে থাকব। ৪নং কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদকে একটি আধুনিক পরিষদে রূপান্তরিত করব এবং কাচিয়া ইউনিয়নকে ভোলা জেলার উন্নয়নশীল ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন আমার ইউনিয়ন এর সকলস্তরের মানুষের সুখে দু:খে পাশে দাড়ানোই আমার উদ্দেশ্য।
Leave a Reply