মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার বহুল আলোচিত, বিতর্কিত, অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের কারিগর, আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া ঝিনাইগাতী মহিলা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের সাময়িক বহিস্কারকৃত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমূহের তদন্ত মাঠে নেমেছেন ৫ সদস্যের তদন্ত দল। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি কতৃর্ক তাকে হাজির থাকার নোটিশ প্রদান করলেও অদৃশ্য কারণে তদন্ত দলের মুখোমুখি হচ্ছেন না সামযিক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ খলিল! তদন্ত কমিটির সূত্রে জানা যায়, জাতীয বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমোতাবেক গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৫/১১/২০২০ই এবং ১১/১১/২০২০ ইং তারিখে তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমূহ তদন্ত করবেন তদন্ত কমিটি। এ ব্যাপারে তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে তদন্তের স্বাথের্ তদন্ত কমিটির আহবায়ক পত্র প্রেরণ করে অবহিত করেন। সংশ্লিষ্ট সকলে তদন্তের দিনসমূহে উপস্থিত থাকলেও অত্র কলেজের সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ খলিলুর রহমান তদন্তের দিনসমূহে তদন্ত কমিটির সন্মুখে উপস্থিত হন নাই। এতে তদন্ত কমিটিসহ কলেজের বতর্মান ও সাবেক পরিচালনা পষর্দ, শিক্ষক কমর্চারীসহ এলাকার সুশীল সমাজের মাঝে নানা প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানান, তার অপকমর্ ঢাকার জন্য তদন্ত কমিটির মুখোমুখি না হয়ে আদালতের মাঠে দৌড়ঝাঁপ করছেন, শেষ রক্ষা পাওয়ার জন্যে! তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, শেরপুর সরকারী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুর রশীদ, আনন্দ মোহন কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক স্বপন কুমার দাস, উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভুমি) জয়নাল আবেদীন, অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক ওয়াছেক বিল্লাহ ও প্রভাষক জিয়াউল ইসলাম। এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং অত্র কলেজের পরিচালনা পষর্দের সভাপতি আলহাজ এসএমএ ওয়ারেজ নাইম জানান, তদন্ত কমিটি তার বিষয়ে তদন্ত করছেন। তদন্তের পর তার ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিবো।
Leave a Reply