মোঃ আব্দুল্লাহ আল মমিন পাটগ্রাম লালমনিরহাট:-
দেশ যেখানে স্বেচ্ছায় বন্দি,সাধারণ মানুষ নিজ নিজ অবস্হান থেকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে গৃহবন্দী। অঘোষিত যুদ্ধ, তবে নেই কোন সামরিক মহড়া, নেই কোন ট্যাংক ও বোমার শব্দ, নেই কোন বিমানের শব্দ, তারপরও জনমনে চরম উত্তেজনা ও আতংক। এই ভয় বা আতংক কোন যুদ্ধের নয় একটি মাত্র ভাইরাসের। কোভিড১৯- করোনা ভাইরাস, এমন একটি সংক্রমণ যেটির নিরাময়ের কোন ঔষধ এখনও আবিষ্কৃত হয়নি।এটি এমন এক ভাইরাস একজন হতে বহুজনে সংক্রমিত হয়।যার ফলে দেশের মানুষ খুলতে পারতেছে না দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,বাজার খরচ করতে পারতেছে না সাধারণ জনতা। অনেকে হয়ে পড়েছে কর্মহীন, রোজগার শুন্য।এমন অবস্থায় অনেকে গৃহে বন্দি অবস্থায় অনাহারে দিনাতিপাত করতেছে।সেই সকল মানুষের পাশে আশীর্বাদ হয়ে সহায়তার জন্য সবার আগে ছুটে আসেন বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাতিবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পাটগ্রাম-হাতিবান্ধার সাংসদ পুত্র মাহমুদুল হাসান সোহাগ। পাটগ্রাম-হাতিবান্ধা দুই উপজেলায় সমান ভাবে দিনরাত কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে শাকসবজি, চাউল,আলু,ডাল,তেল,সাবান,লবন,পিয়াজ,সেমাই, মুড়ি,চিনি,আটা,চিড়া গুড়,ইফতারি সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন নিজ উদ্যোগে অসহায় মানুষের বাসায়।তার এই মহানুভবতা দেখে দুই উপজেলার মানুষ বেশ খুশি। মাহমুদুল হাসান সোহাগ এর সাথে কথা বলে জানা যায়- তিনি বলেন আমার বাবা বীরমুক্তিযোদ্ধা সাবেক মন্ত্রী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি লালমনিরহাট১-(পাটগ্রাম-হাতিবান্ধা) সংসদীয় আসনের বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাটি ও মানুষের নেতা মোতাহার হোসেন এমপি মহোদয়ের অনুপ্রেরণায় সাধারণ মানুষের বিপদে ও দুর্দিনে পাশে দাড়ানোর চেষ্ঠা করতেছি মাত্র। তিনি আরও বলেন দুই উপজেলার মানুষের পাশে দাড়াতে পেরে আমি নিজে ধন্য মনে করছি।বিপদে পাশে দাড়াতে পেরে আমি স্বার্থক।এই এলাকার অনাহারে থাকা মানুষ গুলোর খাবারের ব্যবস্হা করেই তারপর আমি খাবো,আমার এই এলাকার কোন মানুষকে না খেয়ে মরতে দিবো না।ত্রান পাওয়া বেশ কিছু মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়- তারা বলেন এমপির বেটা হামার পাশত আসি দাড়াইছে,দেয়ছে ইফতার ও চাউল,ডাল,তেল,সাবান,শাকপাতারী,হামা খুব খুশি।দেশ লকডাউন হওয়ার পর থেকে মাহমুদুল হাসান সোহাগ নিজে ছুটে চলেছেন আজ অব্দি সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে।তার এই ত্রান বিতরন চলমান থাকবে।
Leave a Reply