কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেনী ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়া গ্রামে তার বাড়ি।জন্মের পর থেকেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে শিশু হাবিবুর। তার বাবা মোঃ আবুরুদ্দি একজন দিনমজুর।ভিটামাটি ছাড়া কিছুই নাই তার।কাজ না করলে ভাত জোটেনা তার কপালে।এই কষ্টে শিশু হাবিবুরের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা কোন ভাবেই সম্ভব নয় তার পক্ষে।সরেজমিনে জানা গেছে, টিনের চালার একটি ঘরের সামনে গাছের সাথে শিকল বন্দী মাটিতে বসে আছে হাবিবুর।হাবিবুরের বাবা জানান, আমার ছেলে জন্মের পর থেকেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। প্রাথমিক চিকিৎসা করা হলে কিছুদিন সুস্থ থাকার পর আবার আগের মতো অসুস্থ হয়ে পরে সে। অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা করাতে পারিনি। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার পর থেকে গত কয়েক বছর এলাকাবাসীর বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি করে।সে জন্য ছেলেকে পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।দিনমজুরের কাজ করি। যে টাকা উর্পাজন করি, এই টাকায় সংসারে খরচ করি।শত কষ্টের মধ্যে দিয়ে চলছে আমাদের জীবন সংসার। টাকা পয়সা না থাকার কারনে ছেলের চিকিৎসা করাতে না পেরে ছেলেকে শিকলে বেঁধে রাখতে হচ্ছে। আমি বাবা হয়ে ছেলের কষ্ট সইতে পারছি না আর। সমাজের বিত্তবানদের কাছে ছেলের চিকিৎসা করাতে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তিনি।স্থানীয়রা জানায়,শিশুটির চিকিৎসা করাতে পারলে সে সুস্থ হয়ে উঠতো।কিন্তু দিনমজুর আবুরুদ্দির পক্ষে তার শিশুর চিকিৎসা করানো কোন ভাবেই সম্ভব নয়।সমাজের বিত্তোবানদের সহযোগীতা চান এলাকাবাসী।
রুহুল আমিন রুকু কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
১১/৪/২০
Leave a Reply