রূপসা আজিজুর বারী হেলাল
………………………………
ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করতে হলে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে
খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করতে হলে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছাড়া অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কখনোই সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের সর্বস্তরের জনগণের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে জনগণের মতামত ও ভোটাধিকারই সবচেয়ে বড় শক্তি।
আজিজুল বারী হেলাল আরও বলেন, বিগত সরকার টানা ১৭ বছর এ দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। তারা হিংসাত্মক রাজনীতি ও দমন-পীড়নের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আজ তারা দেশের কোনো প্রান্তেই জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছে না। এটি তাদের অপকর্মেরই শাস্তি।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি দেশ পরিচালনায় বিশ্বাসী। আগামীর বাংলাদেশ হবে নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও জনগণের বাংলাদেশ।
তিনি এসব কথা বলেন মঙ্গলবার ( ৭ জানুয়ারি ) সকালে রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়ন নাগরিক সমাজের আয়োজনে উত্তর খাজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অবসরপ্রাপ্ত মাস্টার আলহাজ্ব আঃ আজিজ মোড়ল এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ কামরুজ্জামান।
সুধী সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক জিএম আসাদুজ্জামান, হাফেজ মাওলানা তারেক মাহমুদ, সরদার সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, আরশাদ আলী, আঃ আজিজ শেখ, কাদের জমাদ্দার, পরিতোষ কুমার দত্ত, খালেদা আক্তার লিপি, প্রবীর কুমার নন্দী, পাথরঘাটা দীপক কুমার রায়, আলহাজ্ব শেখ জালাল উদ্দীন, সুধীর দাস, এসকে হারুনার রশিদ, আঃ মান্নান মাস্টার, মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ, দেবপ্রসাদ পাল, সরদার সিরাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব সৈয়দ আহম্মদ আলী, মাস্টার শেখ শাহাজাহান আলী, গৌতম ভদ্র, মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর, আলম শেখ, রতন ধর, দীপক দত্ত, আঃ গফফার মাস্টার, মোঃ বাবুল খান, হাফেজ মোঃ সিরাজুল ইসলাম, গৌতম বর্ধন, বিকাশ পাল, মধুসূদন দত্ত, কাজী আঃ হালিম, নারায়ন চন্দ্র রায়, মনোরঞ্জন সরকার, মোঃ আব্দুল রশিদ ফকির, আঃ গফফার সরদার, লাল মিয়া, মোঃ নাজিমুদ্দিন, মোঃ হোসেন শেখ, আব্দুর রউফ শেখ, আঃ জব্বার, আবু নাছের ভূইয়া প্রমূখ।
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্যা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আঃ রশিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম মোস্তফা তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ সালাম, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান, আরিফুর রহমান আরিফ, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা মহিলা দলের নেত্রী শাহানাজ ইসলাম, রূপসা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম গোলদার, রবিউল ইসলাম রবি, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দীন মিন্টু, সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, শেখ মহিউদ্দীন, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, হাকিম কাজী, সরদার শিহাবুল ইসলাম, মহিলা দল নেত্রী মনিরা বেগম, সৈয়দ মাহমুদ আলী, কামরুল ইসলাম কচি, বনি আমিন সোহাগ, এ্যাডঃ তাফসিরুজ্জামান, সৈয়দ মাহমুদ আলী, রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল, মাসুদ খান, মুন্না সরদার, খান আলিম হাসান, কামরুজ্জামান তপন, ফিরোজ মাহমুদ, জিএম মাসুদ, মহিতোষ ভট্টাচার্য, বাবুল শেখ, সাজ্জাত হোসেন, জহিরুল হক শারাদ, জেলা যুবদল সদস্য শাহজামান প্রিন্স, মুক্তাদির বিল্লাহ, তরিকুল ইসলাম রিপন, সাবেক ছাত্রনেতা ইসরাইল বাবু, মুশফিকুর রহমান সুমন, রূপসা পূজা ফ্রন্ট সভাপতি রাজু দাস, মাঈনুল হাসান, ফরহাদ হোসেন, ছাত্রদল নেতা এসএম আবু সাঈদ, নজরুল ইসলাম, কামরুল মোড়ল, আকতার শেখ, জাকির শেখ, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নাঈম আহম্মেদ, খান ওলিয়ার রহমান, হাফিজুর রহমান, মনিশংকর রায়, জাহিদ হাসান, জগলুল হায়দার, আবু দাউদ দানিশ, জিএম হিরোক, আবুল কাশেম, ফারুক আহম্মেদ, গোলাম রসূল, সাহেদুল শেখ, সফর কাজী, ইব্রাহিম, অলিদ শেখ, শাহরুখ হাসান, সোহেল, ফেরদৌস মোল্যা প্রমূখ।