ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ৫ নং ভান্ডারকোট ইউনিয়নের হালিয়া গ্রামের মৃত কালিচরন মহালদার এর পুত্র বিনয় মহালদার(৭৫) এর জমি জোরপূর্বক জবর দখলের অভিযোগে ইং ০৯/০৬/২০২৫ তারিখে বটিয়াঘাটা থানায় ১। বিদ্যুৎ কুমার রায় (৩৫), পিতা-সুরেন্দ্রনাথ রায়, ২। চন্দন মহালদার (৩২), পিতা-মৃত অরবিন্দু মহালদার, ৩। ঠাকুর রায় (৩৩), পিতা-মৃত সুধন্য রায়, ৪। অজিত রায় (৩৮), পিতা-মৃত অমূল্য রায়, ৫। বিপ্রদাস রায় (৩২), পিতা-সুরেন্দ্রনাথ রায়, ৬। গোবিন্দ রায় (৩৫), পিতা-রাঙ্গাবাবু রায়, ৭। খোকন রায় (৩৭), পিতা-মৃত হরেন্দ্রনাথ রায়, সর্ব সাং-হালিয়া (চান্দামারী), বটিয়াঘাটা, খুলনা দের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগর বিষয় ছিলো, আমি হালিয়া মৌজায়, জে,এল নং- ৬৬, সি,এস খতিয়ান ২২৯, এস এ খতিয়ান ৩২৯, দাগ নং- ১৩০, ১৩১, ১৩২, ১৩৩, ১৪৮, ১৪৮/৩২৭ মোট জমি ১৪.৪০ একর সম্পত্তি, এস এ খতিয়ান ৩২৯, দাগ নং- একই, জমির পরিমান ৭.৪৩ একর সম্পত্তি আমি পৈত্রিক ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে কর খাজনা প্রদান করে দীর্ঘকাল ধরে ভোগ দখল করে আসছি। এই সম্পতি লইয়া আমি বিজ্ঞ আদালতে বন্ধক উদ্ধার মামলা নং- ৪৮২/২৩ ও স্বত্তপ্রচারের মামলা নং- ৭৭০/২১ দায়ের করি। গত ইং-০৭/০৬/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় ০১ নং বিবাদীর নেতৃত্বে সকল বিবাদীগন বে-আইনী জনতাবন্ধে হাতে লোহার রড, লাঠী সোঠা নিয়ে আমার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে আমাকে গালিগালাজ করতে থাকে। আমি তাদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বিবাদীরা আমাকে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে আমার নির্মিত ঘর ভাংচুর করে অনুমান ৩০,০০০/- টাকার ক্ষতি সাধন করে। বিবাদীরা আমাকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে আমি যদি আমার জায়গায় ঘর বাধার চেষ্টা করি তাহলে আমাকে মারপিট করে হত্যা করবে আমার লাশ জমিতে পুতে রাখবে মর্মে হুমকি দিয়ে চলে যায়। সামনে বর্ষা মৌসুম ঘর না বাঁধলে আমার মারাত্বক ক্ষতি হবে। বিবাদীগনের এই সম্পত্তিতে কোন প্রকার স্বত্ত সার্থ নেই। অর্থের বিনিময়ে এ গুলো করে বেড়ায়। যাদের হয়ে এমন সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে তারা উপরে উল্লেখিত চলমান ০২টি মামলায় ২৯ ,৩০ ও ২১, ২২ নং বিবাদীগন। আদালতে দখল দেখানোর স্বার্থে এই রুপ ঘটনা ঘটাচ্ছে। মামলার রায় না পাওয়া পর্যন্ত আমার দখলীয় সম্পত্তিতে কোন প্রকার কার্যক্রম না করিতে পারে এটাই আমার দাবী। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভান্ডারকোট পুলিশ ফাঁড়ির মোফিজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিদ্যুৎ রায়কে ফোনে মাপতে নিষেধ করেছি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত। আইনজীবি কৃষ্ণপদ মন্ডল বলেন, ” জমিতে যেহেতু মামলা চলে। নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন রকম কার্যক্রম করা অবৈধ ” । ১১/০৬/২৫ তারিখ আনুমানিক ১টায় সরেজমিনে অনুসন্ধান কালে জানা যায়,”আমীন খোকনকে দিয়ে জমির সীমানা নির্ধারণ করে । তখন বিদ্যুৎ রায় নিজের মত করে বিনয় মহালদার এর দখলীয় জায়গায় থাকা ইটের স্থাপনা ভাংচুর করে”। বিদ্যুৎ রায় বলেন, ” আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি বি আর এস রেকর্ড করেছি। আমার সম্পত্তি জোর করে ভোগ দখল করে। তাই চেয়ারম্যান,বি এন পি সভাপতি, মেম্বার, মহিলা মেম্বার, স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আমার জায়গা বুঝিয়া নিয়েছি
Leave a Reply