ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ
খুলনার দাকোপ একটি শান্তিপূর্ণ উপজেলা। এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একে অপরের সাথে সুখে শান্তিতে বসবাস করে।জাতি,ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সহজ সরল মানুষগুলো দিন কাটাচ্ছে। সম্প্রতি কিছু উৎশৃংখল প্রকৃতির লোক বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে শান্ত দাকোপকে অশান্ত করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। অপকর্মগুলোর মধ্যে সরকারি জায়গা দখল, বেআইনি দ্রব্য বিক্রি, মাদকের প্রভাব ও আইনকে তোয়াক্কা না করা। কৈলাশগঞ্জে ধোপাদিহি মৌজায় এস এ খতিয়ান নং ৪৬,দাগ নং -১৩০৪,বি আর এস খতিয়ান নং -৩১৭০মোট সম্পত্তি ১২ বিঘা বিলান যা সরকারি ইজারা ভুক্ত সম্পত্তি। কন্ট্রাক্টরের লোকজন সেই জমিতে পুকুর খনন করে ব্রীজের গোড়ায় মাটি দিচ্ছে মর্মে মৌখিক অভিযোগ উঠেছে। সেই সূত্রে সরেজমিনে অনুসন্ধান কালে গোপাল গাইন পিতা মৃত যাদব গাইন গ্রাম -ধোপাদী বলেন, ” ওটা সরকারি সম্পত্তি নয়, হাইকোর্টে মামলা চলে।চোখ রাঙিয়ে কর্কশ সুরে বলে, মাটি কাটছে তাতে তোমার কি”? বিষয়টা অত্র ইউনিয়নের মেম্বর অমিত মন্ডলের নিকট জানতে চাইলে বলেন, ” আমীন গৌরাঙ্গ মন্ডল মারফত জানতে পারলাম ওটা সরকারি ইজারা ভুক্ত সম্পত্তি।তবে কন্ট্রাক্টরের দায়িত্বরত মামুন সাহেব যদি এটা করে থাকে সেটা অন্যায় করেছে। পার্শ্ববর্তী প্রকাশ রায় বলেন, ” এটা ডি সি আর সম্পত্তি। আলম ও কালি প্রসন্ন করে” । কন্ট্রাক্টরের দায়িত্বরত মামুন সাহেবের কাছে ০১৯৬০৩৩৮৬৭১ নম্বর মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে বলেন,” ভাই ওটা সরকারি সম্পত্তি কিনা আমি জানি না। আমি মাটি কেটেছি এটা সত্য।তবে মাটি দিয়েছে রুহুল আমিন ও আলম থেকে আমার ম্যানেজার আদমের মাধ্যমে” । মুঠোফোনে ইঞ্জিনিয়ার মিলন বলেন,” সরকারি জায়গা থেকে মাটি ভরাট দিচ্ছে এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না ” ।
মুঠোফোনে এসি ল্যান্ড দাকোপ বলেন,” সরকারি জায়গা থেকে মাটি কাটার কোন সুযোগ নাই। প্রমাণ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো” । আমার হোয়াইটসআপে নাম ঠিকানা ও লোকেশন পাঠান। মুঠোফোনে আলম হাওলাদার বলেন,” যেখান থেকে মাটি কাটা হয়েছে ওটা আমার কবলাকৃত সম্পত্তি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জনগণ বলেন,” বর্তমানে সাংবাদিকরা তাই সত্য ঘটনা তুলছে না আর আমরা কি বলবো ? বর্তমানে আমাদের এলাকায় তরমুজ মৌসুম।বাজে বীজ বিক্রী করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অর্থের মালিক হয়ে যাচ্ছে।আর কৃষকরা এই বীজ কিনে ঠকছে। ভালো ফলন পাচ্ছে
না।জানা গেছে যশোর থেকে উন্নত প্যাকেট তৈরি করে ছুরি করে এই বীজ কৃষকের কাছে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পচা রোগ বালাই যুক্ত মাংস, বেআইনি সামুদ্রিক মাছ দেদারসে বিক্রি হচ্ছে। দাকোপের সহজ সরল মানুষ তাদের কথা বিশ্বাস করে তা কিনে খেয়ে মরণ ব্যাধিতে মৃত্যু বরণ করছে দেখবে কে বলেন? জনগন মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছে না শুধু গুমরে গুমরে কাঁদছে আর মৃত্যু মুখে পতিত হচ্ছে ” । সচেতন মহল বলেন,” বর্তমানে আমাদের ইউ এন ও মোঃ বোরহান উদ্দিন (মিঠু),এসি ল্যান্ড এবং ওসি মনের দিক থেকে খুবই আন্তরিক। যে কোন অনিয়ম ও দুর্নীতি জানতে পারলে তাৎক্ষণিক ভাবে নির্মূলের চেষ্টা করেন। দাকোপবাসী এমন ন্যায়পরায়ণ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সুনাম বৃদ্ধিসহ দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
Leave a Reply