বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি: ভোলার বোরহানউদ্দিনের মধ্যম ধলী ৭ নং ওয়ার্ডের ওমান প্রবাসী নুরুদ্দিনের স্ত্রী সালমা সহ ২ সন্তানকে জাল,ভাসুর,ভাসুরের ছেলে, ননদ দ্বারা মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গত ২৩ই ডিসেম্বর সাংবাদিকদের কাছে এমনটাই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সালমা অভিযুক্তরা হলেন,মোঃজাহাঙ্গীর, সুজন,মোঃআলমগীর, সবুজ,রানুবেগম,আলনগীর,মোঃ ইউসুফ, নাজমা বেগম,ফরিদ ও পারভীন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,নুরউদ্দিন ও তার স্ত্রী সালমা বিবাহের পর থেকে সুখে শান্তিতে বসবাস করেন।বিবাহের দাম্পত্য জীবনে তাদের সংসারে ২ টি সন্তান জন্মগ্রহণ করেন।স্বামী বিদেশ থাকার কারনে ভাসুর, জাল,ভাসুরের ছেলে ও ননদ দ্বারা প্রায়ই নির্যাতনের স্বীকার হন।স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদেরকে জানালে তাহারা বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করে কিন্তু বিবাদীগন স্থানীয় শালিশ বিচারের তোয়াক্কা করে না। পুর্ব শক্রুতার জের ধরে গত ১১ই ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সালমার ছেলে মোঃ সোহাগ এর সাথে খেলাধুলার বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়।ঝগড়ার এক পর্যায়ে সালমার মেয়ে সুরভী এসে তাকে উক্ত বিষয়টি জানান।সালমা জাহাঙ্গীর কে জিঙ্গাসা করিলে সালমার সাথে তাহার কথা-কাটাকাটি হয়।কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা সালমাকে সহ তার ২ সন্তানদেরকে এলোপাথারি কিল,ঘুষি,চর,থাপ্পড়, লাথি মারিয়া বিভিন্ন স্থানে জখম করে। সালমাকে লাঠি দিয়ে এলোপাথারি বারি মারে। তলপেটে, বুকে এবং মাথায় আঘাত করে।পরে এলাকার লোকজন এসে তাহাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে করে বোরহানউদ্দিন সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।পরে অবস্থা অবনতি দেখলে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতদেরকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।ভোলা সদর হাসপাতালে ১৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চিকিৎসা গ্রহন করেন। সালমা আরো বলেন, “তাহারা আমাকে এখনো বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে এমতাবস্থায় আমি যাহাতে ন্যয্য বিচার পাইতে পারি তাহার সু- ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসন সহ সাংবাদিক ভাইকদের কাছে অনুরোধ করছি”। তবে অভিযুক্তদের কাছে সাংবাদিকরা এই বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বিষয়টি সম্পুর্ন অস্বিকার করে বলেন,”সালমা ও তার সন্তান সহ আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে মারধর করেছে।সালমা শুধুশুধুই আমাদেরকে হয়রানি করতেছে।আমরা আশা করি আপনারা নিশ্চয়ই বিষয়টা ভালোভাবে জেনে আমাদেরকে একটা সুষ্ঠু ফয়সালা দিবেন।আমরা যেনো ন্যায়বিচার পাই।”
Leave a Reply