প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন নয়ন:
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের আগের দিন ইলিশ শিকারে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোলার জেলেরা। শেষদিন ইলিশ ধরে নিষেধাজ্ঞার সময়ের পুঁজি সংগ্রহে ব্যস্ত জেলেরা।
এদিকে, অভিযান সফল করতে ঘাটসভা, লিফলেট বিতরণ ও মাইকিংসহ জনসচেতনতায় প্রচার প্রচারণা চালিয়েছে মৎস্য বিভাগ। নদীকে জালমুক্ত রাখতে আজ মধ্যরাত থেকে পুলিশ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে শুরু হবে যৌথ অভিযান।
আশ্বিনের পূর্ণিমাকে ঘিরে ইলিশের প্রজনন মৌসুম। এ সময় ৭০ থেকে ৮০ ভাগ মা ইলিশ গভীর সাগর ছেড়ে নদীর মিঠা পানিতে আসে ডিম ছাড়তে। ইলিশের এ প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।
নিষেধাজ্ঞাকালীন ইলিশ ধরা ও বেচাকেনা থেকে বিরত থাকতে ঘাটে ঘাটে সচেতনতামূলক সভা করেছে মৎস্য বিভাগ।
নিষেধাজ্ঞার আগের দিন সকাল থেকেই ইলিশ শিকারে ব্যস্ত মেঘনা তেঁতুলিয়ার জেলেরা। আবার কেউ কেউ জাল নৌকা নিরাপদে সরিয়ে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জেলেরা জানান, সরকার মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় দিয়েছে সরকার। এ সময়ে আমাদের ২০ কেজি চাল দেয়া হয়। এটা দিয়ে কিছুই হয় না। এছাড়াও অনেক জেলে চালও পায় না।
এদিকে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম বলেন, মা ইলিশ রক্ষা এবং অসাধু জেলেদের মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রচার প্রচারণার পাশাপাশি নদী জালমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জেলার সাত উপজেলায় ১৪ জন ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ২১টি দল দিনরাত অভিযান পরিচালনা করবেন।
Leave a Reply