নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গত ২৬/০৮/২০২০ ইং তারিখে বেলা আনুমানিক দুপুর ১ ঘটিককার সময় মোগলাবাজার থানাধীন শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে যোহরের নামাজ আদায় করিতে যান। কিন্তু আর বাড়িতে ফিরে না আসায়, পরিবারের লোকজন রাত ১০ ঘটিকা হইতে নিহিত আব্দুল ওয়াহিদ এর মোবাইলে ফোন করলে তা রিসিভ না হলে, এবং তা এক পর্যায়ে বন্ধ দেখালে পরিবারের লোকজন আতংকিত হয়ে সব আত্মীয় স্বজন সহ সব জায়গায় খোজাখোজি করে কোন স্থানে না পাওয়ায়, গত ২৮/০৮/২০২০ তারিখে, বেলা আনুমানিক দুপুর ১টা৪৫ মিনিটে মোগলাবাজার থানায় নিখোঁজ ডায়রি করার জন্য পরিবার বর্গ গেলে তারা জানতে পারেন যে, কোতোয়ালী মডেল থানাধীন কানিশাইল এলাকায় সুরমা নদীতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতনামা একজন ব্যক্তির লাশ পাওয়া গিয়েছে। উক্ত সংবাদ এর ভিত্তিতে নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারের লোকজন গত ২৮/০৮/২০২০ ইং তারিখে বেলা ২.২০মিনিটের সময় কোতোয়ালি মডেল থানাধীন কানিশাইল আটিবন খেয়াঘাট সুরমা নদীর পারে পৌঁছে, শার্ট, প্যান্ট চেহারার আকৃতি ও সাথে থাকা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি দেখে উক্ত লাশ পরিবার বর্গ শনাক্ত করেন। এসময় কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ সদস্যগন সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। এসময় নিহত আব্দুল ওয়াহিদ এর মাথায় ৩ টি কাটা জখম, দুই চোখের উপর ছিল জখমের চিহ্ন। এছাড়াও গলা, বুক,পেট সহ শরিরের সমস্ত জায়গায় জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। নিহত ব্যক্তির লাশ সুরতহাল শেষে মৃত দেহ কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ মর্গে প্রেরন করেন। নিহত আব্দুল ওয়াহিদ এর পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক দুপুর ২. ৪৫ মিনিটের মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে অজ্ঞাতনামা আসামীরা পরিকল্পিত ভাবে ধারালো অস্ত্রদ্বারা মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যা করে। শুধু হত্যা করেই শেষ নয়। লাশ ঘুম করার জন্য সুরমা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। নিহতের ২ মাস পার হলেও সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তাগন এখনো কাউকে শনাক্ত বা গ্রেফতার করতে পারেনি। নিহত পরিবারের সন্তানদের দাবি হচ্ছে অজ্ঞাতনামা আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় এনে বিচার করার জন্য। নিহত আব্দুল ওয়াহিদ এর পরিবার বর্গ সুষ্ঠ বিচার চান। নিহত আব্দুল ওয়াহিদ এর সন্তানরা তাদের বাবার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। যাতে আর কারো সন্তান বাবা হারা না হয়। এছাড়াও আসামীদের শনাক্ত করার জোর দাবি জানান। পরিবার সূত্রে জানা যায় নিহত আব্দুল ওয়াহিদ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ কর্মী হিসেবে কাজ করেন। তিনি দৈনিক যোগবেরি, দৈনিক জালালাবাদ, সিলেটের বাণী পত্রিকায় কাজ করেন। পরিবার সূত্রে আারও জানানো হয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সি সি ক্যামেরায় দেখা যায় যে কিভাবে তাকে তুলে নেওয়া হয়। এর পর ও কেন আসামিদের ধরতে পারছে না পুলিশ প্রশাসন। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন নিহত আব্দুল ওয়াহিদ এর পরিবার কি তাদের সুষ্ঠ বিচার কি পাবে নাকি পাবে না।
Leave a Reply