প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ২, ২০২৬, ৪:০০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ২৭, ২০২০, ১০:৪৬ পি.এম
ভোলায় এখনো জমে উঠছেনা পশুরহাট

গাজী তাহের লিটন, বিশেষ প্রতিনিধি।।
ভোলা জেলায় গরুর হাটগুলোতে বেচা কেনা নিয়ে এখনো সন্তুষ্ট হতে পারছেন না বিক্রেতারা। তাদের মতে পশুরহাটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে' পড়া ভীড় লক্ষণীয়. হলেও পশু বিক্রি কম। বেশীরভাগ গরু বিক্রেতার একই বক্তব্য। ; সরেজমিন ঘুরে জানাযায়, গরু নিয়ে এবার বিপাকে পড়েছেন অনেকে বিক্রেতা বিগত বছরের তুলনায় গরু ও ছাগলের দাম কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও করোনা সংকটে হাট জমতে বিলম্ব হচ্ছে। এতে লোকসানের আশংকা করছেন অনেকে। তবে বেশ কিছু হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগম হলে সেখানে মানছে না কেউ নেই স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দুরত্ব। এতে করোনা সংক্রমনের ঝুঁঝি বাড়ছে। কেউ কেউ আবার সামাজিক দুরত্ব মানলেও অনেকেই আবার মানছেন না। কোরবানি পশুরহাটকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে সব ধনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক।
ভোলা শহরের ঘুইংগারহাট, ইলিশার হাট, ধনিয়া, কুঞ্জেরহাট, চাওয়া, লালমোহন, চরফ্যাসন, তজুমদ্দিন,মনপুরা, দৌলতখান ও ব্যাংকেরহাটসহ বিভিন্ন হাট ঘুরে জানা গেছে, বিগত বছরগুলোতে এমন দিনে জমে উঠে ভোলার পশুর হাটগুলো। কিন্তু এ বছর করোনার কারনে হাটগুলোতে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। এখনো জমে উঠেনি পশুর হাট। জেলার বড় বড় হাটে দেশী গরুর সমাগম আর ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভীড় হলেও কেনা-বেচা জমে উঠেনি। হাট জমে না উঠায় অনেক বিক্রেতাই গরু বিক্রি নিয়ে বেশ চিন্তিত।
গরু বিক্রেতা অহিদ বলেন, লাভের আশায় গরু নিয়ে হাটে এসেছি কিন্তু দাম কম, তাই কম করে হলেও ১০ হাজার টাকা লেঅকসান হবে। কারন গরু মোটাতাজাকরণ করতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে।
এদিকে যেসব হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগম শুরু হয়েছে সেখানে মানা হচ্ছে না সামাজিক দুরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি। এতে করেনা সংক্রমনের ঝুঁকির আশংকা করছেন কেউ কেউ।
ঘুইংঘারহাট এলাকার রুবেল বলেন, হাট তেমন জমেনি, মানুষজনও মানছেন না সামাজিক দুরত্ব। দু’একদিনের মধ্যে হাট জমতে পারে।
হাটে চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের টহল জোরদার রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার। তিনি বলেন, হাটগুলোতে পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হাটে অপ্রতিকর ঘটনা কিংবা চাদাবাজি বন্ধে পুলিশের টহল জোরদার রয়েছে। ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, পশুরহাটে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতে হাটগুলোতেও নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে হাটে দুই জন ক্রেতার বেশী প্রবেশ করতে পারবেনা। এছাড়াও বয়স্ক ও শিশুদের প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। সারিবদ্ধ হয়ে লাইনে দাড়িয়ে প্রবেশ করবে এবং সামাজিক দুরত্ব মেনে মাস্ক ব্যাবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। হাটগুলোতে জ্বর মাপার যন্ত্র বসানো হয়েছে। এছাড়াও গরু কেনাবেচার জন্য অনলাইন ভিত্তিক প্লাটফর্ম করা হয়েছে।
এদিকে জেলায় গত বছর ৭৩টি হাট বসলেও এ বছর জেলায় ৯৩টি পয়েন্টে পশুরহাট বসানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে।
দু’একদিনের মধ্যে কেনাবাচা জমে উঠবে বলে মনে করছেন, কুঞ্জেরহাট বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন।
অফিস : প্লাট নং ১৪ , রোড নং ০২,
সেক্টর ০৬, উত্তরা আবাসিক এলাকা
ঢাকা -১২৩০
+88 01938897695,01720-010780
ইমেইল: dailycrimetalash@gmail.com
Web Design by: SuperSoftIT.com