রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়া মেধাবী ছাত্রী আশামণির উচ্চশিক্ষা লাভের আশা পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে ভেস্তে যেতে বসেছে। উচ্চশিক্ষা লাভের একমাত্র সিঁড়ি উচ্চ মাধ্যমিক এ ভর্তির স্বপ্ন তার এখন অন্ধকারের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হতে চলেছে । আশামনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঠোস বিদ্যাবাগীশ গ্রামের আজিত মিয়ার মেয়ে। ছোট বেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী আশামণি। দারিদ্র্যতার সাথে লড়াই করে এতটা বছর চালিয়ে এসেসে তার পড়া-লেখা। উল্লেখ্য সে পানিমাছকুটি মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পিএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৭৫ ও জেএসসি পরীক্ষার জিপিএ ৫ পেয়েছিল। ফুলবাড়ী জছিমিঞা সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় হতে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পাওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। আশামণির স্বপ্ন সে লেখাপড়া চালিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকেও ভালো ফল করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবে। এবং লেখাপড়া শেষ করে একদিন ডাক্তার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করবে।তবে তার এই স্বপ্নের পথে বড় বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে অভাব। ইতিমধ্যেই দিনমজুর পিতা তার পড়ালেখার খরচ যোগাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। ফলে তার লেখাপড়া এখন বন্ধ হবার পথে।এব্যাপারে আশা মনির মায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের ভিটেবাড়ীর সাড়ে তিন শতাংশ জমি ছাড়া আর কোন জমিজমা নাই।পরিবারে চারজন সদস্যদের খরচ যোগাতে আশার বাবা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।তার যা আয় রোজগার হয় তা দিয়ে কোনমতে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাই।শতকষ্টেও এতোদিন আশামনি লেখাপড়া বন্ধ করেনি।সে লেখাপড়া শেষ করে মানুষের মত মানুষ হতে চায়। তবে এখন আমরা তার লেখাপড়ার খরচের হিসাব শুনে দিশেহারা।তার কলেজে ভর্তি হতে যা টাকা লাগে এবং বই পত্র কেনাসহ টিউশনির খরচতো আছে । এতো টাকার যোগান দেয়া তার বাবার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব না। এমতাবস্থায় আশামনির ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নকে বাঁচিতে রাখতে ও তার লেখাপড়ার খরচের যোগান দিতে সমাজের সহৃদয়বান ব্যাক্তিদের সহযোগীতা কামনা আশামনি ও তার পরিবার।
অফিস : প্লাট নং ১৪ , রোড নং ০২,
সেক্টর ০৬, উত্তরা আবাসিক এলাকা
ঢাকা -১২৩০
+88 01938897695,01720-010780
ইমেইল: dailycrimetalash@gmail.com
Web Design by: SuperSoftIT.com