গাজী তাহের লিটন, বিশেষ প্রতিনিধি।।
‘পাপ বাপকেও ছাড়েনা’…. প্রবাদ এ বাক্যটি বারবার সত্য হয়ে ফুটে ওঠে।তেমনি একটি ঘটনা স্পষ্ট হয়ে দেখা দিয়েছে দেশের একজন এমপির বেলায়। কতো টাকা হলে তিনি থামবেন, বোধকরি এ জনপ্রতিনিধির জানা নেই। মানবপাচার, অর্থপাচার, শ্রমিক নিপীড়ন ও ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের জামিন হয়নি। গত সোমবার আদালত এক আদেশে তাঁকে আগামী ৯ আগস্ট পর্যন্ত কারাগারে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে আসন্ন ঈদ কারাগারেই কাটবে তাঁর।
কুয়েত থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, পাপুল ছাড়াও তাঁর আরো তিন সহযোগীকেও আটকাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তাঁরাও আগামী ৯ আগস্ট পর্যন্ত আটক থাকবেন। এরপর আদালত তাঁদের বিষয়ে অভিযোগ শুনতে পারেন। কুয়েতের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরখাস্ত কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মাজেন আল জাররাহ ছাড়াও হাসান আবদুল্লাহ আল কাদের ও নাওয়াফ আলী আল সালাহি নামে দুজন কুয়েতি নাগরিক রয়েছেন।
এ মাসের মাঝামাঝি পাপুলের পক্ষে একজন আইনজীবী কুয়েতের আদালতে জামিন আবেদনে যেকোনো শর্তে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানান। জানা গেছে, কুয়েতে রিমান্ডে পাপুল যে সব তথ্য দিয়েছিলেন তা পরবর্তী সময়ে অস্বীকার করেছেন। এমন প্রেক্ষাপটে আদালত তাঁকে আরো দুই সপ্তাহ কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এ অবস্থায় লক্ষ্মীপুর ২ আসনের এমপির ঈদের দিনটি কুয়েতের জেলখানায় কাটানো ছাড়া অন্য কোন পথ নেই!
এ জাতীয় আরো খবর..
Leave a Reply