বিশেষ প্রতিনিধি সৈয়দ আমিনুল ইসলামঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে রেড জোনের আওতাভুক্ত কালিঘাট রোড এলাকায় যানবাহনসহ মানুষ যাতায়াতের মূল সড়কে(১৭)জুন বুধবার বাঁশ ও লাল কাপড় দিয়ে ব্যারিকেড দেয়া হয়েছিল।
কিন্তু ইতোমধ্যে ওই এলাকার ৮জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ৫জন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন। অপর ৩জনও সুস্থতার দিকে রয়েছে। তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম রাস্তার ব্যারিকেড উঠিয়ে দিয়ে চলাচল স্বাভাবিক করে দিয়েছেন।
এসময় করোনায় আক্রান্ত তিন ব্যক্তির বাড়িতে প্রবেশের গলি রাস্তা এবং তাদের বাড়ি ও তার আশপাশ লাল কাপড় দিয়ে চিহ্নিত করে লকডাউন করেছেন উপজেলা প্রশাসন। এছাড়াও কালীঘাট রোডে অবস্থিত করোনায় আক্রান্ত রোগীর পরিবারের একটি ফার্মেসি ও ভেরাইটিজ স্টোর লকডাউন করা হয়। এসময় কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে চলাচলের নির্দেশনাও দেন তিনি।শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল থেকে উপজেলা প্রশাসন এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়াও করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজ খবর নেন এবং ঘরের ভেতরে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কালীঘাট রোড এলাকার আটজন করোনা আক্রান্ত রোগীর মধ্যে পাঁচজন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন। বাকী তিনজনও কিছুদিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠবে ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন, কালীঘাট রোডের মধ্যেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। তাই এই সড়কে অসুস্থ রোগী বহনকারী যানবাহনসহ অন্যান্য যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেশি। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রোড তাই কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের শর্তে রোডটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলার করোনা সংক্রমিত এলাকা ওয়ার্ডভিত্তিক বিভাজন করে প্রতি শনিবারে রিভিউ এর মাধ্যমে সংক্রমণের হার নির্ণয় করে কোন এলাকা কোন জোনের মধ্যে পড়ে তা চিহ্নিত করা হবে। এর ফলে প্রতি সপ্তাহে এসব এলাকায় জোনের ক্যাটাগরি পরিবর্তন হতে পারে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো.সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুছ ছালেক, শ্রীমঙ্গল ৩নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভানু লাল রায় প্রমুখ।
অফিস : প্লাট নং ১৪ , রোড নং ০২,
সেক্টর ০৬, উত্তরা আবাসিক এলাকা
ঢাকা -১২৩০
+88 01938897695,01720-010780
ইমেইল: dailycrimetalash@gmail.com
Web Design by: SuperSoftIT.com