নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বিবাহের নিউজ সংগ্রহ করতে যায় সাংবাদিক ও মানবাধিকারের একটি টিম। নিউজ সংগ্রহের একপর্যায়ে জানা যায়,
বিভিন্ন প্রকার নামে-বেনামে বিবাহ তালাক দেওয়ার রেজিস্টার কাজী আব্দুল হাই ও তার সহকারী শহিদুল ইসলাম অবৈধ ভাবে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বাল্য বিবাহ, তালাক সহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। ৬নং কাশিমপুর ইউনিয়নের কাজী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী ও তার সহকারীরা কাজী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি বাল্য বিবাহের অভিযোগ পাওয়া যায়।অভিযোগে জানা যায় (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ১0,000 হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি এই বাল্যবিবাহ পড়িয়েছেন ও 2000 টাকার বিনিময়ে কাবিননামা প্রদান করেছেন।তাদের বিরুদ্ধে এছাড়াও আরো অনেক বাল্যবিবাহের প্রমাণ আসে সাংবাদিকদের কাছে।
বাল্য বিবাহ প্রতি ১০,০০০ (দশ) হাজার থেকে ২০,০০০ (বিশ) হাজার টাকা করে নেন বলেও অভিযোগ আসে।কাজী আব্দুল হাই সিদ্দিকী কাশিমপুর ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের বিয়ে তিনি পড়ান।(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এক কাজী বলেন, আমরা যে বাল্যবিবাহ লোকে বললেও পড়ায় না, সেই বিবাহ কাজী আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী ও তার সহকারি কাজী মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কাজ করিয়া থাকেন।
আর এই সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তার স্থানীয় কিছু নেতা ও দুর্বৃত্তের কার সাজিতে করে থাকেন।
তার ই ধারাবাহিক কার্যক্রম এক বাল্য বিয়ের অনুসন্ধান করা হয়,নাম অঞ্জলী খাতুন,(বয়স টিকার কার্ড অনুযায়ী ০৫-০৭-১৯০৫ ইং) পিতার নাম মোঃ রবিউল ইসলাম,গ্রাম কেফায়েতনগর পোস্ট সুজার হাট থানা কোতয়ালী জেলা যশোর। ছেলের নাম মোঃ লিটন হোসেন পিতার মোঃ শহিদুল ইসলাম গ্রাম ফুলবাড়ী থানা কোতোয়ালি জেলা যশোর। এই বিবাহের অনুসন্ধান করতে গেলে গত ১৬ ই মে ২০২০ ইং তারিখ, মঙ্গলবার ৬নং কাশিমপুর ইউনিয়নের মুল কাজী মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকীর সহকারি শহিদুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে সে এই বিয়ে সম্পুর্ন অস্বীকার করে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কাজীর দেওয়া নোটারী পাবলিক এর বিবাহের ঘোষনা পত্র ও সাথে রেজিঃ পাতার কপি অনুযায়ী (যাহা পুলিশি হেফাজতে আছে) দেখতে চাইলে সে (কাজী) দেখাতে অস্বীকার করে, পরে ষড়যন্ত্র করে সাংবাদিক শামসুর রহমান নিরব কে কৌশলে আড়ালে রেখে তার বেপারোয়া বাহিনী দ্বারা অপর দুই সাংবাদিক ও সাথে থাকা একজনের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে।
প্রকাশ থাকে যে সাংবাদিকদের উপর হামলা মূল কাজী ও সহকারী কাজী মোঃ শহিদুল ইসলামের ইঙ্গিতে হয়েছে, যানা যায় হামলা কারী ছাত্রলীগ পরিচয় নামধারী মোঃ সজিব হোসেন, মোঃ মিকাইল হোসেন, মজনু খন্দকার, মহব্বত আলী সহ তার সহযোগী ১৫-২০ জন।সে সময় তারা সাংবাদিক দের কাছে থাকা দুইটা লেপটাপ ও তিনটা পেন ক্যামেরা, দুইটা ভিডিও ক্যামেরা , দুইটা বুলুটুথ মাইক্রোফোন ছিনতাই করে নেয়। কাজীর অফিসের ভিতরে এক জন কে আটক রেখে জন প্রতি ৫০,০০০ ×৪ = ২,০০,০০০ (দুই) লক্ষ টাকা চাদা দাবি করে আর বলে না দিলে তোমাদের মোটরসাইকেল দেবনা ও চাদাবাজি মামলায় ফাসাব। অবস্থা খারাপ বুঝতে পেরে সাংবাদিকদের একজন ৯৯৯ কল দিয়ে ঘটনার বর্ণনা ও ঘটনাস্থলের বিবরণ দিয়ে পুলিশি সাহায্য চাই। তারপর স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্প তাদের সাহায্য না করে উল্টো হামলাকারীদের সাথে ফোন করে বিষয়টি দফারফা করার চেষ্টা করে । ক্যাম্প থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশের আসতে সর্বোচ্চ দশ মিনিট সময় লাগে কিন্তু সেখানে পুলিশ বারবার ফোন করার পরে একঘন্টা পরে পৌঁছায়। পুলিশ সাংবাদিকদের পরিচয় পত্রদেখেন এবং সংশ্লিষ্ট পরিচয় পত্রের সম্পাদকদের সাথে কথা বলেন। তারপর পুলিশ হামলা করা দুর্বৃত্তদের সাথে ষড়যন্ত্র করে সাংবাদিকদের নিকট কোন কিছু জানতে না চেয়ে যশোর কোতয়ালী থানায় নিয়ে যাই।
রাত্রে ৯টার দিকে কাজীকে বাসা থেকে মোটরসাইকেলযোগে এনে চাদাবাজি মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক দেখায়।এ সময় পুলিশ সাংবাদিকদের নিকট হতে ৩টা মোটরসাইকেল,পত্রিকা ও মানবাধিকার সংস্থার কার্ড,হাত ঘড়ি,মোবাইল,কলম,ডায়রী, বাল্য বিবাহের কাবিননামা,(ফটোকপি) নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে ঘোষণাপত্রের স্ট্যাম্পের কপি, মেয়ের টিকা কার্ডের কাগজ সহ বেশ কিছু জিনিস পত্রাদি ফুলবাড়ী ক্যাম্পের আই সি কানু চন্দ্র বিশ্বাস সংগ্রহ করে নেয়।
অফিসে তথ্য যাচাই করতে যান।সে কারণে শহিদুল ইসলাম সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়,এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন ।
একপর্যায়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের নজরে আসে এবং সাংবাদিক মানবাধিকারকর্মীদের কে আটকে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পে সংবাদ প্রদান করেন তাৎক্ষণিক ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে কোতয়ালী থানায় নিয়ে আসে,
এবং কাজী শহিদুল ইসলাম এবং স্থানীয় কিছু সাংবাদিকের ব্যক্তিস্বার্থ আঘাতের কারণে এবং কাজী শহিদুল ইসলাম নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা করেন।
এদিকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীর নিকট থাকা তাদের পত্রিকা ও মানবাধিকার সংস্থার কার্ড সহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করেন।
একপর্যায়ে কোতোয়ালি থানা তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১৭ ই মে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
যশোরের কিছু স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজী করতে যেয়ে গ্রেপ্তার শিরোনামে নিউজ প্রচার করা হয়।
সকল ষড়যন্ত্রকে হঠিয়ে সেই তিন জন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী সহ চার জনের জামিন প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত।
Leave a Reply