==================
গাজীপুর প্রতিনিধিঃ ভাঙ্গাচোরা বেড়ার ঘরে (৭৫)জরিনা খাতুনের জীবন। খেজুর পাতার বেড়া আর উপরে পলিথিনের ছাউনির রান্নাঘর। শোবার ঘরের দেয়াল নেই। সাপ, ব্যাঙ আর কেঁচোর সাথে নিত্যদিনের যুদ্ধ। গ্রামের অনেকেই সরকারী ভাবে বাড়িঘর পেয়েছেন। কিন্তু মৃত আঃ বাতেনের স্ত্রী জরিনা খাতুন (মধু)র কপালে জোটেনি সরকারী বাড়ি। সামন্য বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে ঘরের ছাউনির সাথে নিজেদের প্রাণও উড়ে যায়।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ১নং মাওনা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বেলতলি গ্রামে এক চিলতে সরকারি জায়গায় তালপাতার ছাউনির তুলে বৃদ্ধ জরিনা খাতুনের বসবাস। তার চোখে নেই কোন রঙ্গিন স্বপ্ন। জরিনা খাতুন চায় শুধু একটু মাথা গোজার ঠাঁই। জরাজীর্ন ছাপড়া ছাউনি থেকে মানবেতর জীবনযাপন কাটছে তার। রাতে দু’চালার একটি ঘরে থাকার চিন্তায় দু’বেলা দু মুঠো খাবার ঠিকমত জুটছেন না। তারপরও খাবেরর সন্ধান করতে এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি ঘুরতে হয়। তারপর এক বেলা হলে অন্য বেলা হয় না।
তিনি (জরিনা খাতুন) আরো জানান, আমার বয়স্ক ভাতার কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে জালিয়াতি করে ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো: নরুল ইসলাম ইউসুফ ও গ্রাম পুলিশ সারোয়ার হোসেনের যোগসাজে গত দুই বছর ধরে টাকা উত্তোলন করেছে। তিনি আরো বলেন ইউসুফ মেম্বার বলে আমার বযস্ক ভাতার টাকা নাকি রুহিঙ্গাদের দিতাছে।
জরিনা খাতুনের এই মানবেতর জীবন সর্ম্পকে চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর আলম খোকন জানান, উনাকে ১ বার ৫ কেজি চাউল, ডাউল, তেল, সাবান, আলু দিয়েছি।
জরিনা খাতুন মধু জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জরিনা খাতুনের জন্য সরকারি ঘর দাবী করেছেন।
মাওনা ইউনিয়নের অনেকেই বলেন জরিনা খাতুনের মত অসহায় বৃদ্ধার সাথে যারা এরকম প্রতারণা করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমাদের লজ্জা যে আমরা এধরণের চোরদের ভোট দিয়েছি
Leave a Reply