নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় গত ১৮এপ্রিল প্রবাসী বিএনপি নেতা পারভেজ মল্লিকের করোনায় ত্র্যাণ বিতরণ কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা -মারামারি হয়।স্হানীয় সাধারণ মানুষ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায় পারভেজ মল্লিক বিএনপি’র ব্যানারে ত্র্যাণ দিলেও প্যাকেট করা, বিতরণ সব ছিল আওয়ামীলীগ নেতাদের নিয়ন্ত্রণে যারা সবাই পারভেজের পরিবার ও আত্মীয় সজন এবং ত্র্যাণ দেওয়া হচ্ছিলও শুধু আওয়ামী নেতাকর্মীদের। বিএনপির স্থানীয় তৃনমুল নেতাকর্মী পলাশ মেম্বরের নেতৃত্বে প্রতিবাদ করলে বিশৃঙ্খলা ও সংঘর্ষ হয় এবং পারভেজ মল্লিকের পরিবার থেকে পলাশ মেম্বর সহ স্থানীয় বিএনপির ৩৬ জন নেতাকর্মীদের নামে ২৪এপ্রিল মামলা দেওয়া হয়।পারভেজ মল্লিক, তার পরিবার,আত্মীয় সজন ও আওয়ামিলীগের প্রভাবশালী নেতাদের হস্তক্ষেপে সাদা পোশাকের পুঁলিশ বাহিনী গত ১৮জুন দিবাগত-রাতে বিএনপি নেতা পলাশ মেম্বরকে গ্রেফতার করে অঙ্ঘাত্ত স্থানে রেখে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের করে।স্থানীয় সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ায় অবশেষে তেরখাদা থানা পুঁলিশ বাদী হয়ে আবারও নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান করে।আদালত জামিন না-মন্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করে।বর্তমানে বিএনপি নেতা পলাশ মেম্বর মহামারী করোনার মধ্যেও পারভেজ মল্লিক ও আওয়ামিলীগের প্রতিহিংসায় মারাত্মক নির্যাতনের স্বীকার হয়ে খুলনা জেলা কারাগারে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের আরও অভিযোগ প্রবাসে পারভেজ মল্লিক বিএনপি নেতা হলেও তার পরিবার, আত্মীয় সজন সবাই আওয়ামিলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। পারভেজের বাবা স্বাধীনতার পর মুজিব বাহিনী গঠন করে চুরি ডাকাতি মাধ্যমে এক সময় এলাকায় ত্র্যাশের রাজত্ব করেছে, তার পরিবার ও আত্মীয় সজন বর্তমান সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মীদের নির্যাতন সহ প্রতিটি নির্বাচনে আওয়ামীলিগের পক্ষে ভোট কেটেছে। তৃনমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আওয়ামিলীগ সরকারের শাসনামালে বিএনপির বেশিরভাগ নেতাকর্মী মামলা হামলায় জর্জরিত হয়ে তিন বেলা ঠিক মত খেতে পারে না, ঘরে ঘুমাতে পারে না,সেখানে পারভেজ মল্লিক ৩-৪ কোটি টাকা খরচ করে গ্রামে বাড়ী বানাচ্ছে, কয়েক কোটি টাকার জমি কিনেছে কিভাবে।এটা বিএনপির হাইকমান্ডের তদন্ত করা উচিত।
Leave a Reply