স্টাফ রির্পোটার জহিরুল ইসলাম:
ময়মনসিংহের নান্দাইলে করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে এ পর্যন্ত নানান প্রতিকূল অবস্থায়ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতার লক্ষ্যে নান্দাইল উপজেলার পৌরসভা সহ ১৩ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার ও গ্রামে-গঞ্জে ছুটে বেড়িয়েছেন তিনি।
তিনি প্রায় ১১মাস পূূর্বে নান্দাইলে যোগদানের পর থেকেই শিক্ষাখাতে ব্যাপক প্রশসংসিত হওয়ার পরপরই করোনা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। শুরু থেকেই করোনার ছোবল থেকে জনগণকে বাচাঁতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ সহ মাইকিং প্রচার অভিযান পরিচালনা করেন।
এছাড়া অসহায় দুস্থ ও নিম্ন আয়ের পরিবারে সরকারি সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণকে উৎসাহিত করেছেন তিনি। করোনায় যেখানেই কেউ আক্রান্ত হয়েছেন নিজের জীবন বাজি রেখে সেখানেই ছুটে যাচ্ছেন তিনি। ইউএনও’র সেসমস্ত কার্যক্রম সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন।
বিশেষ করে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তার পরামর্শে করোনা প্রতিরোধ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, জনসমাগম এড়াতে বাজার থেকে স্কুল মাঠে বাজার স্থানান্তর, সাপ্তাহিক হাট বন্ধ করা, ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিটিং, প্রবাস ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য বিধি মেনে সচেতনতা ও নিয়মিত মোবাইল কোর্ট অভিযান সফল ভাবে করে যাচ্ছেন তিনি।
তিনি উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে সুষ্ঠু ও সফলভাবে করোনার ত্রাণ বিতরণ, বাজার মনিটরিং ও প্রশাসনিক সকল কার্য্যক্রম চালিয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত তা অব্যাহত আছে। শুধু তাই নয় রাতের অাধারে মুচি সম্প্রদায় ও বেদের পরিবার সহ অতীব দুঃস্থ মানুষের বাড়িতে গিয়ে করোনার ত্রাণ পৌছে দিয়েছেন।
তাঁর এসব কাজে জেলা প্রশাসকের পরামর্শক্রমে ও সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেছেন সেনাবাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও সমাজ সেবকগণ সহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন বলেন, মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে আমরা চাই নান্দাইল উপজেলাবাসী তথা দেশের মানুষ ভালো থাকুক। তাই নিজের ও পরিবারের কথা চিন্তা না করে করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন করে যাচ্ছি। মহামারী এ করোনা থেকে বাঁচতে হলে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
Leave a Reply