রুহুল আমিন রুকু কুড়িগ্রাম থেকেঃ
দুঃখ ও দরিদ্রতার ভার আর সইতে পারছে না মানবিক ভারসাম্যহীন হতদরিদ্র পরিবার। বর্তমান প্রাণঘাতী । সরকারি সহযোগিতা না পাওয়া তার পরিবারে দিন কাটছে অর্ধাহারে-অনাহারে সহ মানবেতর জীবন।
১৭মে রবিবার সরেজমিনে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া গ্রামের খয়বার আলী গোয়ালের পুত্র জমসের আলী মাতাকম বয়সে মৃত্যু হয়। পিতা খয়বার আলী দ্বিতীয় বিবাহ করে সংসার জীবন চালান জমশেদ আলী পিতৃস্নেহে বড় হয়ে উঠে সংসারের হাল ধরেন। মা হারা জমশের সংসারের উন্নতির জন্য একসময় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন কারখানায় কাজ করে টাকা ইনকাম করে বাবার হাতে দিত এরপর পারিবারিক ও নিজ আগ্রহে গত ১২বছর পূর্বে বিবাহ সাদি করেন একই গ্রামের সদের আলীর কন্যা সাজিনা বেগম কে সংসার জীবনে তাদের দুটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়। ইতিপূর্বে সংসার জীবন ভালো কাটলেও গত ৩বছর পূর্বে জমসেরের জীবনে নেমে আসে অন্ধকার হঠাৎ মাথায় তার কি যেন হয়। চিকিৎসার অভাবে সেড়ে উঠতে না পেরে পরে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এলাকায় পাগল বলে পরিচিত হয়। এখন আর কাজ করতে পারে না সারাদিন ঘরের ভিতরে বাঁশের তৈরি বিছানার উপর শুয়ে থাকে পেটে খিদা লাগলে পার্শ্ববর্তী শ্বশুর বাড়িতে যায় কথাবার্তা ন বলে পেট ভরে খেয়ে ফিরে আসে তার ঘরে। পিতার আশ্রয়ে থাকা জমশেরেকে গত ৮ মাস পূর্বে পার্শ্ববর্তী একটু নিচু জায়গায় একটি ঘর তুলে দেয় সেখানে নেই টিউবওয়েল তাছাড়াও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা। পরিবারের মা হারা মানবিক ভারসাম্যহীন স্বামীকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্ত্রী সাজিনা বেগম স্থানীয় ইউপি মেম্বারের শাহাদাত হোসেনের সহায়তায় ৪০ দিন কর্মসূচির নামের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় সাজিনা খন্দ ওয়ারী মাটি কাটার কাজ করে যা পায় তা দিয়ে ৪ জনের ভরণ-পোষণের চাহিদা পূরণ হয় না বাবার বাড়ি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়ান। তাছাড়া বাকি সময় পরের বাড়িতে খেটে খেতে হয়। এ প্রতিবেদককে জানান প্রতিবেশী ইউপি চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার থাকলেও একাধিকবার অনুরোধ করেও কোন ফায়দা হয়নি এবং তাদের সুনজর নেই তাদের কাছে গেলে মনে হয় বিষধর সাপ সামনে এসেছি। বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদক এর সাথে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল হোসেনের সাথে এ প্রতিবেদক এর সাথে মুঠোফোন কথা হলে তিনি জানান জমশের পাগলের পরিবারে ভিজিডি কার্ড পাওয়ার কথা পেয়েছে কিনা তা জানে নেই। তবে ৪০দিন কর্মসূচীর নাম আছে তার স্ত্রী সাজিনার নামে তবে ত্রাণ সামগ্রী এদের পরিবারে পাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি বিষয়টি খোজ খবর নেব। বর্তমান প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতিতে ভারসম্যহীন পরিবারে চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে পরিবারের। সরকারি ভাবে ত্রাণ তালিকা তাদের নাম নেই বা কেউ পাশে নেই তাই বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন।
অফিস : প্লাট নং ১৪ , রোড নং ০২,
সেক্টর ০৬, উত্তরা আবাসিক এলাকা
ঢাকা -১২৩০
+88 01938897695,01720-010780
ইমেইল: dailycrimetalash@gmail.com
Web Design by: SuperSoftIT.com