কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম উলিপুর ধরনীবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুড় গ্রামের মৃত কাশেম আলীর স্ত্রী গৃহহীন মানবেতর জীবন যাপনে কষ্টে থাকা মলিভান বেওয়ার ঝুপড়িতে খাদ্য উপহার সামগ্রী পৌছে দিলেন মানবিক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম।ধরনীবাড়ি মধুপুর গ্রামের অসহায় বিধবা বৃদ্ধা মলিভান বেওয়া গৃহহীন হয়ে অন্যের বাড়িতে কখনও ভাইদের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। এখন ভাইদের দেয়া সামান্য জায়গায় বাশঝারে ঝুপড়িতে আশ্রিতা। কয়েকটি ভাঙ্গা টিন দিয়ে ছাদ এমন একটি ছাপরাতে তার রাত দিন কাটছে। ঘরের বেড়া দেয়ার সামর্থ নেই মলিভানের। করোনা ভাইরাসের কারনে কোন বাসা বাড়িতে কাজ করতে যেতে পারছিলেন না। নিঃসন্তান, বিধবা মলিভান অভাব অনটনে বেশ মানসিক সমস্যায় ভুগছেন বলে স্থানীয়রা জানান। বেশকিছু দিন থেকে খাদ্য সংকটে মলিভান এমন মানবেতর জীবন যাপন নিয়ে সোশাল মিডিয়া ও বিভিন্ন অনলাইনে নিউজ প্রকাশিত হয়। গত একসপ্তাহ পুর্বে মলিভান বেওয়ার সমস্যা নিয়ে লেখালেখি হলেও খাদ্যসহায়তা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোন কর্মকর্তা কিংবা জনপ্রতিনিধির যোগাযোগ করার খবর পাওয়া যায়নি।কুড়িগ্রাম জেলার মানবিক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম এর নির্দেশনায় উলিপুর থানা পুলিশের এ এস আই সোহাগ সঙ্গীয় ফোর্স সহ ধরনীবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুড় গ্রামের বিধবা অসহায় মলিভানের হাতে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেন।খাদ্য সহায়তায় চাল, ডাল, তেল, আটা, সাবান সহ যে উপকরন আছে তাতে মলিভান বেওয়ার ১০/১২ দিন পর্যন্ত খাদ্যনিরাপত্তা হবে বলে এলাকা সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ সুপারের পাঠানো খাদ্য সহায়তা মলিভান বেওয়ার মুখে হাসি ফুটিয়েছে। উলিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান,উলিপুর উপজেলা ও পৌরসভার বেশকিছু হতদরিদ্র অসহায় বিধবা মা ও কর্মহীন এবং প্রতিবন্ধিদের খাদ্য সহায়তা দেয়ার জন্য খাদ্য সামগ্রী পুলিশ সুপার মহোদয়ের পক্ষ থেকে উলিপুর থানায় এসেছে । স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছি।
অফিস : প্লাট নং ১৪ , রোড নং ০২,
সেক্টর ০৬, উত্তরা আবাসিক এলাকা
ঢাকা -১২৩০
+88 01938897695,01720-010780
ইমেইল: dailycrimetalash@gmail.com
Web Design by: SuperSoftIT.com